অনিয়মের অভিযোগে ফরিদগঞ্জে মেয়রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন!

  • চাঁদপুর প্রতিনিধি
  • ২০২০-০৪-২৯ ২০:৫৪:১৪
ক্রাইম প্রতিদিন

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌর মেয়র মাহফুজুল হকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে ৬ জন কাউন্সিলর।

২৭ এপ্রিল সোমবার বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পৌরসভার ৬নং ওর্য়াডের কাউন্সিলার ও সাবেক প্যানেল মেয়র খলিলুর রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, ২০১৮ সালের ২৬ এপ্রিল তারা ৯জন কাউন্সিলর মেয়রের বিরুদ্ধে অনাস্থা দেয়ার পর তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমানিত হলেও অদ্যবদি তার এই বিষয়ে কোন দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বর্তমানে করোনা ভাইরাস জনিত মহামারীর জনিত চলমান লকডাউনের কারণে বিপুল সংখ্যক লোক কর্মহীন।

সরকার ইতিমধ্যেই পৌরসভার জন্য ১২শত লোকের জন্য ওএমএস কার্ড, ৩৫ মে:টন চাল এবং ১লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা প্রদান করেছে। কিন্তু মেয়রের পুর্বের মতোই স্বেচ্ছাচারিতা দেখিয়ে তার নিজের পছন্দমতো লোক ও আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে তা বিতরণ করছে। ফলে ওর্য়াড পর্যায়ে বিপুল সংখ্যক মানুষ বি ত হচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে গত ১৬ এপ্রিল উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করে। পরে গত ২৪ এপ্রিল তাদের চিঠি দিয়ে ওএমএসসহ সকল বিষয়ে তালিকা চায়। কিন্তু তারা তালিকা দিতে গেলে তাদের ওয়ার্ড অনুযায়ী হিস্যা ১৩৩ কার্ড না দিয়ে নামমাত্র কার্ড দেয়ার কথা বলে।

একারণে তারা তাদের ওয়ার্ডে মানুষের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিতে পারবেন না। ফলে প্রকৃত হতদরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষ সরকারি বরাদ্দের চাল না পাওয়ায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাই তারা এই দুর্যোগের সময় পৌরবাসী যাতে সরকারি সকল সহায়তা ন্যায্যমত পায় এই জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এসময় কাউন্সিলদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ইসমাইল হোসেন সোহেল, হারুনুর রশিদ, জামাল হোসেন, মজিবুর রহমান, ফাতেমা বেগম ও খলিলুর রহমান।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে আনিত অভিযোগের বিষয়ে পৌর মেয়র মাহফুজুল হক জানান, সংবাদ সম্মেলন করা কাউন্সিলররা পৌরসভার কোন কাজেই আসেন না। তাহলে তারা কিভাবে কর্মসূচী সর্ম্পকে জানবেন। ওএমএসের চিঠি ছাড়া আর কোন চিঠিই তারা আজ পর্যন্ত গ্রহণ করেননি। ওএমএসের কাডের্র বিপরীতে তাদের তালিকা জমা দিতে বললেও তারা তা না দিয়ে হিস্যা অনুযায়ী দেয়ার নিশ্চয়তা চান। কিন্তু ওয়ার্ড পর্যায়ে গঠিত ত্রাণ কমিটির মাধ্যমেই তালিকা চুড়ান্ত হবে। তাছাড়া দলীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকার সূধীজন রয়েছে। তাই তাদের নিশ্চয়তা আমি কিভাবে দেই। তারপরও আমার ইচ্ছা ছিল সর্বোচ্চ সংখ্যক কার্ড তাদের দেয়া। এছাড়া আমি কোন অনিয়ম করছি না। পৌরবাসী তার জবাব দিবে।

নিউজটি শেয়ার করুন


নিউজ সম্পর্কে মতামত লিখুন


 
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ