৭ বছরের শিশুকে গণধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা, গ্রেফতার ১

  • গাজীপুর প্রতিনিধি
  • ২০২০-০৫-১৮ ২০:৫২:৩৬
ক্রাইম প্রতিদিন

চকলেট কিনে দেয়ার কথা বলে সাত বছরের এক শিশুকে গণধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে এক কিশোরকে (১৫) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১-এর সদস্যরা।

রোববার রাত আড়াইটার দিকে টঙ্গী পূর্ব থানার রেলস্টেশন এলাকা থেকে ওই কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার কিশোর টঙ্গীর বেলতলা মসজিদ রোডের কাউছার মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া।

সোমবার (১৮ মে) সকালে নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং ডেকে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-১-এর গাজীপুরের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন।

তিনি বলেন, ১৬ মে মহানগরীর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন মধুমিতা রেলগেট এলাকার ময়লার স্তূপ থেকে বেলতলা এলাকার ভাড়াটিয়া মামুন মিয়ার মেয়ে মাদরাসাছাত্রী চাঁদনীর (৭) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের গলায় ও দুই পায়ে আঘাতের চিহ্নসহ ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়। এ বিষয়ে চাঁদনীর বাবা বাদী হয়ে টঙ্গী পূর্ব থানায় মামলা করেন। পরে মামলার ছায়া তদন্ত শুরু করে র‌্যাব।

র‌্যাব কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, পরে এ ঘটনায় জড়িত এক কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার কিশোর চুরি, ছিনতাইকারী দলের সক্রিয় সদস্য। সহযোগীদের নিয়ে টঙ্গী রেলস্টেশন এবং আশপাশের এলাকায় নিয়মিত চুরি-ছিনতাই করতো তারা।

জিজ্ঞাসাবাদে ওই কিশোর জানায়, ১৫ মে বিকেলে চাঁদনী মাঠে খেলাধুলা করতে এলে ওই কিশোর এবং তার এক সহযোগী চোখে চোখে রাখে। খেলাধুলার সময় ওই কিশোর গাছ থেকে চাঁদনীকে ফুল নামিয়ে দেয়। চাঁদনী বাসায় ফেরার পথে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় আশেপাশে লোকসমাগম কমে যায়। তখন ওই কিশোর এবং তার সহযোগী পূর্বপরিকল্পিতভাবে চাঁদনীকে চকলেট কিনে দেয়ার কথা বলে মধুমিতা রেলগেট এলাকার সজীবের ইটের স্তূপের আড়ালে নিয়ে যায়। সেখানে চাঁদনীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা।

পরবর্তীতে চাঁদনী অজ্ঞান হয়ে পড়ে। গণধর্ষণের কথা বাড়ি গিয়ে বলে দেবে ভেবে চাঁদনীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে তারা। পরবর্তীতে চাঁদনীর মরদেহ ময়লার স্তূপে ফেলে পালিয়ে যায়। ধর্ষণ ও হত্যা মামলার পলাতক প্রধান আসামিকে ধরতে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান র‌্যাব কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন।

নিউজটি শেয়ার করুন


নিউজ সম্পর্কে মতামত লিখুন


 
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ