নানা কৌশলে ঈদ যাত্রায় ঘরমুখী মানুষ!

  • ক্রাইম প্রতিদিন ডেস্ক
  • ২০২০-০৫-১৮ ২১:০৮:১৬
ক্রাইম প্রতিদিন

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরে ফিরতে যাতায়াতের ওপর সরকারি কঠোর বিধিনিষেধ থাকলেও অনেকেই তা উপেক্ষা করছেন। বাস-ট্রেন না চললেও বিভিন্নভাবে যানবাহন জোগাড় করে যে যেভাবে পারছেন ঢাকা থেকে অন্য জেলায় যাচ্ছেন। তবে পুলিশ বলছে, এরই মধ্যে তারা অনেক গাড়ি আটক করছে এবং অনেক মানুষকে ফেরত পাঠাচ্ছে। তবুও ঘরে ফেরার প্রবণতা পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না।

বাংলাদেশে চলমান সাধারণ ছুটি বাড়ানোর কথা জানিয়ে গত সপ্তাহে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল, সেখানে বলা হয়েছিল ছুটির মধ্যে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় চলাচলের বিষয়টিতে কড়াকড়ি আরোপ করা হবে।

কিন্তু প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা থামছেই না। কেউ কেউ কয়েকগুণ বেশি টাকা খরচ করে ব্যক্তিগতভাবে গাড়ি ভাড়া করছেন, কেউ আবার স্থানীয় নানা পরিবহন ব্যবস্থার সাহায্যে ফিরছেন পরিবারের কাছে।

কয়েকদিন আগে ঢাকা থেকে বরিশাল যাওয়া সৈকত কবির জানান, রাস্তায় পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ এড়াতে অবলম্বন করা হতো বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি।

তিনি বলেন, ‘ছোট সিএনজি, লেগুনা করে ফেরিঘাট পর্যন্ত গিয়ে ফেরি পার হয়ে টেম্পু আর প্রাইভেট গাড়ি শেয়ারে ভাড়া করে গিয়েছি। রাস্তায় পুলিশের চেকপোস্টের আগে যাত্রীদের নামিয়ে দিতো আর গাড়িটা খালি অবস্থায় চেকপোস্ট পার হতো।’

বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশের মাওনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল হক জানান, প্রতিদিন তারা বহু গাড়ি আটক করছে এবং ফেরত পাঠাচ্ছে। তবুও মানুষকে চলাচলে নিরুৎসাহিত করা যাচ্ছে না।

মনজুরুল হক বলেন, ‘আজও আমরা একটি বাস আটক করেছি, যেটিতে স্টাফ বাস লিখে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছিল।’

ঈদের আগে বাড়ির দিকে যাওয়া এই মানুষগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর সেটি মাথায় রেখে সব এলাকার স্থানীয় প্রশাসন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রশাসনের কাছে নির্দেশনা দেওয়া আছে, কেউ এক এলাকা থেকে আরেক এলাকায় গেলে তারা যেন হোম কোয়ারেন্টিন করে, তা যেন নিশ্চিত করা হয়।’ 

নিউজটি শেয়ার করুন


নিউজ সম্পর্কে মতামত লিখুন


 
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ