আশ্রয়ণ প্রকল্প : তদবির চলছে দুর্নীতিবাজদের রক্ষায়

  • ইনকিলাব
  • ২০২১-০৭-১২ ১০:০৮:৪৫
popular bangla newspaper, daily news paper, breaking news, current news, online bangla newspaper, online paper, bd news, bangladeshi potrika, bangladeshi news portal, all bangla newspaper, bangla news, bd newspaper, bangla news 24, live, sports, polities, entertainment, lifestyle, country news, Breaking News, Crime protidin. Crime News, Online news portal, Crime News 24, Crime bangla news, National, International, Live news, daily Crime news, Online news portal, bangladeshi newspaper, bangladesh news, bengali news paper, news 24, bangladesh newspaper, latest bangla news, Deshe Bideshe, News portal, Bangla News online, bangladeshi news online, bdnews online, 24 news online, English News online, World news service, daily news bangla, Top bangla news, latest news, Bangla news, online news, bangla news website, bangladeshi online news site, bangla news web site, all bangla newspaper, newspaper, all bangla news, newspaper bd, online newspapers bangladesh, bangla potrika, bangladesh newspaper online, all news paper, news paper, all online bangla newspaper, bangla news paper, all newspaper bangladesh, bangladesh news papers, online bangla newspaper, news paper bangla, all bangla online newspaper, bdnewspapers, bd bangla news paper, bangla newspaper com, bangla newspaper all, all bangla newspaper bd, bangladesh newspapers online, daily news paper in bangladesh, bd all news paper, daily newspaper in bangladesh, Bangladesh pratidin, crime pratidin, অনলাইন, পত্রিকা, বাংলাদেশ, আজকের পত্রিকা, আন্তর্জাতিক, অর্থনীতি, খেলা, বিনোদন, ফিচার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চলচ্চিত্র, ঢালিউড, বলিউড, হলিউড, বাংলা গান, মঞ্চ, টেলিভিশন, নকশা, ছুটির দিনে, আনন্দ, অন্য আলো, সাহিত্য, বন্ধুসভা,কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, অটোমোবাইল, মহাকাশ, গেমস, মাল্টিমিডিয়া, রাজনীতি, সরকার, অপরাধ, আইন ও বিচার, পরিবেশ, দুর্ঘটনা, সংসদ, রাজধানী, শেয়ার বাজার, বাণিজ্য, পোশাক শিল্প, ক্রিকেট, ফুটবল, লাইভ স্কোর, Editor, সম্পাদক, এ জেড এম মাইনুল ইসলাম পলাশ, A Z M Mainul Islam Palash, Brahmanbaria, Brahmanbaria Protidin, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিদিন, Bandarban, Bandarban Protidin, বান্দরবন, বান্দরবন প্রতিদিন, Barguna, Barguna Protidin, বরগুনা, বরগুনা প্রতিদিন, Barisal, Barisal Protidin, বরিশাল, বরিশাল প্রতিদিন, Bagerhat, Bagerhat Protidin, বাগেরহাট, বাগেরহাট প্রতিদিন, Bhola, Bhola Protidin, ভোলা, ভোলা প্রতিদিন, Bogra, Bogra Protidin, বগুড়া, বগুড়া প্রতিদিন, Chandpur, Chandpur Protidin, চাঁদপুর, চাঁদপুর প্রতিদিন, Chittagong, Chittagong Protidin, চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম প্রতিদিন, Chuadanga, Chuadanga Protidin, চুয়াডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা প্রতিদিন, Comilla, Comilla Protidin, কুমিল্লা, কুমিল্লা প্রতিদিন, Cox's Bazar, Cox's Bazar Protidin, কক্সবাজার, কক্সবাজার প্রতিদিন, Dhaka, Dhaka Protidin, ঢাকা, ঢাকা প্রতিদিন, Dinajpur, Dinajpur Protidin, দিনাজপুর, দিনাজপুর প্রতিদিন, Faridpur , Faridpur Protidin, ফরিদপুর, ফরিদপুর প্রতিদিন, Feni, Feni Protidin, ফেনী, ফেনী প্রতিদিন, Gaibandha, Gaibandha Protidin, গাইবান্ধা, গাইবান্ধা প্রতিদিন, Gazipur, Gazipur Protidin, গাজীপুর, গাজীপুর প্রতিদিন, Gopalganj, Gopalganj Protidin, গোপালগঞ্জ, গোপালগঞ্জ প্রতিদিন, Habiganj, Habiganj Protidin, হবিগঞ্জ, হবিগঞ্জ প্রতিদিন, Jaipurhat, Jaipurhat Protidin, জয়পুরহাট, জয়পুরহাট প্রতিদিন, Jamalpur, Jamalpur Protidin, জামালপুর, জামালপুর প্রতিদিন, Jessore, Jessore Protidin, যশোর, যশোর প্রতিদিন, Jhalakathi, Jhalakathi Protidin, ঝালকাঠী, ঝালকাঠী প্রতিদিন, Jhinaidah, Jhinaidah Protidin, ঝিনাইদাহ, ঝিনাইদাহ প্রতিদিন, Khagrachari, Khagrachari Protidin, খাগড়াছড়ি, খাগড়াছড়ি প্রতিদিন, Khulna, Khulna Protidin, খুলনা, খুলনা প্রতিদিন, Kishoreganj, Kishoreganj Protidin, কিশোরগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ প্রতিদিন, Kurigram, Kurigram Protidin, কুড়িগ্রাম, কুড়িগ্রাম প্রতিদিন, Kushtia, Kushtia Protidin, কুষ্টিয়া, কুষ্টিয়া প্রতিদিন, Lakshmipur, Lakshmipur Protidin, লক্ষ্মীপুর, লক্ষ্মীপুর প্রতিদিন, Lalmonirhat, Lalmonirhat Protidin, লালমনিরহাট, লালমনিরহাট প্রতিদিন, Madaripur, Madaripur Protidin, মাদারীপুর, মাদারীপুর প্রতিদিন, Magura, Magura Protidin, মাগুরা, মাগুরা প্রতিদিন, Manikganj, Manikganj Protidin, মানিকগঞ্জ, মানিকগঞ্জ প্রতিদিন, Meherpur, Meherpur Protidin, মেহেরপুর, মেহেরপুর প্রতিদিন, Moulvibazar, Moulvibazar Protidin, মৌলভীবাজার, মৌলভীবাজার প্রতিদিন, Munshiganj, Munshiganj Protidin, মুন্সীগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ প্রতিদিন, Mymensingh, Mymensingh Protidin, ময়মনসিংহ, ময়মনসিংহ প্রতিদিন, Naogaon, Naogaon Protidin, নওগাঁ, নওগাঁ প্রতিদিন, Narayanganj, Narayanganj Protidin, নারায়ণগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ প্রতিদিন, Narsingdi, Narsingdi Protidin, নরসিংদী, নরসিংদী প্রতিদিন, Natore , Natore Protidin, নাটোর, নাটোর প্রতিদিন, Nawabgonj, Nawabgonj Protidin, নওয়াবগঞ্জ, নওয়াবগঞ্জ প্রতিদিন, Netrokona, Netrokona Protidin, নেত্রকোনা, নেত্রকোনা প্রতিদিন, Nilphamari, Nilphamari Protidin, নীলফামারী, নীলফামারী প্রতিদিন, Noakhali, Noakhali Protidin, নোয়াখালী, নোয়াখালী প্রতিদিন, Norai, Norai Protidin, নড়াইল, নড়াইল প্রতিদিন, Pabna, Pabna Protidin, পাবনা, পাবনা প্রতিদিন, Panchagarh, Panchagarh Protidin, পঞ্চগড়, পঞ্চগড় প্রতিদিন, Patuakhali, Patuakhali Protidin, পটুয়াখালী, পটুয়াখালী প্রতিদিন, Pirojpur, Pirojpur Protidin, পিরোজপুর, পিরোজপুর প্রতিদিন, Rajbari, Rajbari Protidin, রাজবাড়ী, রাজবাড়ী প্রতিদিন, Rajshahi , Rajshahi Protidin, রাজশাহী, রাজশাহী প্রতিদিন, Rangamati, Rangamati Protidin, রাঙ্গামাটি, রাঙ্গামাটি প্রতিদিন, Rangpur, Rangpur Protidin, রংপুর, রংপুর প্রতিদিন, Satkhira, Satkhira Protidin, সাতক্ষীরা, সাতক্ষীরা প্রতিদিন, Shariyatpur, Shariyatpur Protidin, শরীয়তপুর, শরীয়তপুর প্রতিদিন, Sherpur, Sherpur Protidin, শেরপুর, শেরপুর প্রতিদিন, Sirajgonj, Sirajgonj Protidin, সিরাজগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ প্রতিদিন, Sunamganj, Sunamganj Protidin, সুনামগঞ্জ, সুনামগঞ্জ প্রতিদিন, Sylhet, Sylhet Protidin, সিলেট, সিলেট প্রতিদিন, Tangail, Tangail Protidin, টাঙ্গাইল, টাঙ্গাইল প্রতিদিন, Thakurgaon, Thakurgaon Protidin, ঠাকুরগাঁও, ঠাকুরগাঁও প্রতিদিন, ক্রাইম প্রতিদিন, ক্রাইম, প্রতিদিন, Crime, Protidin, অপরাধ মুক্ত বাংলাদেশ চাই, অমুবাচা, crimeprotidin

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬২২টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে ঘর দেয়ার যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইতোমধ্যে প্রথম ধাপে ৬৯ হাজার ৯০৪ পরিবারকে উপহারের ঘর বুঝিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু এই আশ্রয়ণ প্রকল্পের অনেক ঘরই ভেঙে গেছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে তৈরি করায় ঘরগুলো ভেঙে গেছে। দুর্নীতির অভিযোগে ৫ কর্মকর্তাকে ওএসডি ও ৩ জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ৫টি তদন্ত টিম তদন্ত করছে। কিন্তু আশ্রয়ণ প্রকল্পের অনিয়ম, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের রক্ষায় চলছে নানান তদবির। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, ভূমি ও দুর্যোগ ব্যবস্থপনা মন্ত্রণালয় প্রত্যেকেই নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বাঁচাতে তৎপর। এ নিয়ে মাঠ প্রশাসনের সাথে মন্ত্রণালয়ের দূরত্ব বাড়ছে বলে জানা গেছে। তবে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী এবং উপজেলা প্রকল্প বায়স্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)রা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।

নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ঘর নির্মাণ করায় বসবাসের অনুপযোগী বহু ঘর ভেঙে ফেলা হয়েছে। কয়েকটি উপজেলা পরিষদে কর্মরত ইউএনও ঘর ভেঙে ফেলার কথা স্বীকার করেছেন। তারা জানান, নিম্নমানের হওয়ায় সেগুলো ভেঙে ফেলা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডি উইংয়ের যুগ্ম সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী উদ্যোগ আশ্রয়ণ প্রকল্পের অনিয়ম, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের রক্ষায় নানান তদবির করছে। আমার অনেক স্যার ফোন করছেন।

জানতে চাইলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের অনিয়ম, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের ৩ জন উপজেলা প্রকল্প বায়স্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)-কে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বাকিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

জানা গেছে, ভূমিহীন এবং গৃহহীনদের জন্য বাড়ি নির্মাণের এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ৫ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ পদাধিকারবলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সদস্যরা হলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি), এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী, উপজেলা প্রকল্প বায়স্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য। প্রকল্প বাস্তবায়নে ইউএনওদের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারা মুখ খুলতে সাহস পান না। তবে কোনো কোনো উপজেলায় প্রকল্প থেকে ইউএনওদের অবৈধ আয়ের ভাগ পিআইও এবং জেলা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরাও পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দুর্নীতি ঢাকতে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১৪টি ঘর রাতের আঁধারে ভেঙে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে। আবার কোনো কোনো উপজেলায় ইউএনও কাজ শুরু করে দিয়ে বদলি হয়ে অন্যত্র চলে গেছেন। নতুন ইউএনও যোগ দিয়ে দায়ভার আগেরজনের ওপর চাপিয়ে নিজের আখের গুছিয়েছেন।

তদন্তে দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পরও মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ মেজবাহ-উল-সাবেরিনকে ওএসডি করা হয়। এসব কারণেই প্রকল্পের তদন্ত নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। গতকাল পর্যন্ত ৩ উপজেলা প্রকল্প বায়স্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) প্রত্যাহার করা হয়েছে। ২২টি জেলায় ৪৬টি উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাড়ি নির্মাণে দুর্নীতি ধরা পড়লেও মাত্র ৫টি উপজেলার ৫ জন কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়েছে। বাকি উপজেলার কর্মকর্তারা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বরং তাদের বাঁচাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে নানাভাবে তদবির করা হচ্ছে। মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হামিদুর রহমান, ধামনার উপজেলা সাবেক নির্বাহী অফিসার আবুল কালামসহ প্রায় অর্ধশতাধিক কর্মকর্তার পক্ষে কয়েকজন সচিব এবং অতিরিক্ত সচিব, রাজনৈতিক দলের নেতারা তাদের রক্ষায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে তদবির করছেন।

গত শুক্রবার থেকে সারাদেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলাকে পাঁচটি ব্লকে ভাগ করে পরিদর্শন শুরু করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ৫টি টিম। একটি টিমে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন বলেন, নির্মাণাধীন বাড়িগুলোর নির্মাণশৈলী ও গুণগতমান, অনুমোদিত ডিজাইন ও প্রাক্কলন অনুযায়ী হয়নি। এগুলো নতুন করে তৈরির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬২২টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে ঘর দেবে সরকার। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১ লাখ ২৯ হাজার ১৯৭, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৬ হাজার ৩, চট্টগ্রাম বিভাগে ১ লাখ ৬১ হাজার ২৯৭, রংপুর বিভাগে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৩৪, রাজশাহী বিভাগে ৯৬ হাজার ৫০৪, খুলনা বিভাগে ১ লাখ ৪২ হাজার ৪১১, বরিশাল বিভাগে ৮০ হাজার ৫৮৪ এবং সিলেট বিভাগে ৫৫ হাজার ৬২২টি গৃহহীন পরিবার রয়েছে। এর মধ্যে জমি ও ঘর নেই এমন পরিবারের পাশাপাশি ১০ শতাংশ জমি আছে কিন্তু জরাজীর্ণ বাড়ি এমন পরিবারও রয়েছে। প্রথম ধাপে ৬৯ হাজার ৯০৪ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার বঙ্গবন্ধুকন্যা উপহারের ঘর দিয়েছেন। এর মধ্যে ৬৬ হাজার ১৮৯টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে দুই শতাংশ খাস জমির মালিকানা দিয়ে বিনা পয়সায় দুই কক্ষবিশিষ্ট ঘর মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী প্রদান করেন। এছাড়া ২২টি জেলার ৪৬টি উপজেলায় ৪৪টি গ্রামে ৭৪৩টি ব্যারাক নির্মাণের মাধ্যমে ৩ হাজার ৭১৫টি পরিবারকে ব্যারাকে পুনর্বাসন করা হবে। আর চলতি অর্থবছরে মুজিববর্ষেই আরো ৭ লাখ ১৫ হাজার ৭১৮ ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে স্বপ্নের নীড়সহ দুই শতক জমির মালিকানা দিয়ে স্থায়ী ঠিকানা গড়ে দেয়া হবে সরকারিভাবে।

এ ছাড়া আরো ২৯টি উপজেলায় ঘর নির্মাণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। এ উপজেলাগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ বগুড়ার আদমদীঘি, খাগড়াছড়ির মহালছড়ি, মাদারীপুরের কালকিনি, লালমনিরহাট সদর, গাজীপুরের শ্রীপুর, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, নেত্রকোনার খালিয়াজুরী, মোহনগঞ্জ, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী, জামালপুরের ইসলামপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল, ময়মনসিংহ সদর, দিনাজপুরের ফুলবাড়ী, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ, চুনারুঘাট, ভোলার লালমোহন, পাবনার সাঁথিয়া, মানিকগঞ্জের ঘিওর, নাটোর সদর, কুড়িগ্রামের রৌমারী, বরিশাল সদর এবং ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর।

পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্বিতীয় দফার ঘর নির্মাণ ব্যয় আরো বাড়ানো হয়। ঘরপ্রতি মোট নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ২ লাখ ৩৬ হাজার ১৩৫ টাকা ৪৫ পয়সা। এর মধ্যে ঠিকাদারের লাভ ধরা হয় ৪৬ হাজার ৪৬ টাকা ৪১ পয়সা। এই বরাদ্দ পাওয়ার পরই বেশির ভাগ এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনওরা নিজেরাই লেবার ঠিকাদারদের মাধ্যমে কাজ শুরু করেন। এক্ষেত্রে তারা সরাসরি ঘুষ না পেলেও পুরো টাকা নিজেদের হাতে খরচ করতে গিয়ে ধাপে ধাপে চুরি করেন বলে অভিযোগ আছে। কোন কোন ধাপে টাকা সরিয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনওরা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপকালে এর হিসাবও পাওয়া গেছে। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ৬ হাজার ২০০টি এক নম্বর ইট দরকার। কিন্তু কোনো কোনো জায়গায় ঘরের উচ্চতা ও ১০ ইঞ্চি গাঁথুনি কম দিয়ে ১ হাজার ২০০ ইট সাশ্রয় করে এ খাত থেকে পকেটে তুলেছেন অন্তত ১৫ হাজার টাকা। এছাড়া কোথাও কোথাও ঘর ধসে পড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে ভুল জায়গা নির্ধারণ ও কাঁচা ভরাটে তড়িঘড়ি নির্মাণ কাজ শেষ করার বিষয়টিকেও দায়ী করেছেন তদন্ত দলের এক সদস্য। সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু জানান, তৈলকুপি গ্রামে ১৪টি ঘর নির্মাণ করা হয় পুকুরের পাড়ে। দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে সদ্য বদলিকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমি জেরিন ঘরগুলো নির্মাণ করেন। অল্প দিনের মধ্যেই ঘরগুলো ধসে পড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। পুকুর ভরাটের জন্য আরো ৬ লাখ টাকা খরচ করেন উপজেলা অফিস থেকে। বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোবায়ের আহমেদ চৌধুরী বলেন, সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সময়ে এ ঘর নির্মাণ করা হয়। উপকারভোগীদের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে ঘর ভাঙা হয়েছে।

 
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ